মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাভারে গুণীজনদের মাঝে “সাংবাদিক ওয়াসিল উদ্দিন স্মৃতি পদক-২০২৪”প্রদান মহম্মদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু-পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অফ অনার প্রদান প্রথমবারের মত মাগুরা জেলায় তরমুজের চাষাবাদ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করলেন জেলা প্রশাসক সাভারে চলছে ভেজাল দুই নম্বর সস্ তৈরির কারখানা ঝিনাইগাতী থানায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বোদা থানায় অসহায় বৃদ্ধ মানুষের পাশ্বে এস আই বদিউজ্জামান মহম্মদপুরে রাজপাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন আশুলিয়ায় গণধর্ষণের ঘটনায় আটক ৫ সাভার হাইওয়ে পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী শিক্ষকসহ আহত ২ বোদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সবুজ

পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার কাশীনাথপুরে ফুটপাতে সন্ধ্যা হলে পিঠা বিক্রির ধুম

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ  হাসান মিয়া,, বেড়া উপজেলা পাবনা

 

 

বেড়া উপজেলার কাশীনাথপুরে ফুটপাতে সন্ধ্যা হলেই পিঠা বিক্রির ধুম পড়ে। শীতের আমেজ শুরু হতেই কাশীনাথপুরের অলিগলি, পাড়া-মহল্লা ও হাটবাজারে পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসে যান দোকানিরা। বাহারি সব পিঠাপুলি নজর কাড়ছে পিঠাপ্রেমীদের। সন্ধ্যা হলেই পিঠাপুলির দোকানগুলোতে বেচা-বিক্রির ধুম পড়ে।

সন্ধ্যার পর থেকেই পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার জনবহুল অলিগলি ও রাস্তার পাশের দোকানগুলোতে দাঁড়িয়ে বা বসে লাইন দিয়ে পিঠা খেতে দেখা যায় অনেককেই। শীত মৌসুমে প্রতিটি বাড়িতে পিঠাপুলি বানানোর অয়োজন গ্রামবাংলার চিরচারিত রীতি। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে ঘরে ঘরে পিঠাপুলি তৈরির আয়োজন এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। ব্যস্ততা ও পারিপার্শ্বিক সমস্যায় নিজ হাতে পিঠাপুলি তৈরির আয়োজন কমে গেলেও পিঠাপ্রীতি ও ভোজন কিন্তু থেমে নেই। পিঠাপ্রেমীরা এখন দোকানের পিঠার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।

বাড়িতে পিঠা বানানোর ঝামেলা এড়াতে অনেকেই দোকান থেকে পিঠা ক্রয় করে সেই স্বাদ মেটাচ্ছেন। আর অনেকেই এ পিঠা বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করছেন। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, চুলার অল্প আঁচে ধোঁয়া উঠছে। তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু চিতই, ভাপাসহ অন্যান্য পিঠা। আর চুলা থেকে নামানোর পর মুহূর্তেই তা চলে যাচ্ছে ক্রেতার হাতে। দোকানে ভাপা, পাটিশাপটা, তেলের পিঠা ও চিতই পিঠা বিক্রি হলেও চিতই আর ভাপা পিঠার চাহিদাই বেশি। চিতই পিঠার সঙ্গে সরিষা ভর্তা, শুটকি ভর্তা, মরিচ ভর্তা ও ধনিয়াপাতা ভর্তা, গুড় ও নারিকেল দেওয়া হয়।
ডিম দিয়েও বানানো হয় চিতই পিঠা। ক্রেতারা রাস্তার পাশে দোকানে বসে সেই পিঠা খাচ্ছেন। কেউবা আবার নিয়ে যাচ্ছেন পরিবারের জন্য।পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার, নগরবাড়ি , টিক্কা বাজার,মোল্লা মার্কেটের ও সামনে , জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার পাশে, মোড়ে, পাড়া-মহল্লায় ও অলিগলি আর ফুটপাতে গড়ে উঠেছে কয়েকশ মৌসুমী পিঠার দোকান। এক পিঠা ক্রেতা মোঃ শাহাবুদ্দিন বলেন, শীত মৌসুমে প্রায় প্রতিদিনই এখানে পিঠা খেতে আসেন, সাথে করে ফ্যামিলির জন্য পিঠা নিয়ে যায়।

কাশিনাথপুর বাজার সংলগ্ন রাস্তার পাশে আসলাম পিঠা বিক্রেতা বলেন, তিনি , চিতই পিঠা বিক্রি করেন । তাদের দোকানে ভালোই বেচা-বিক্রি হয় এবং এই টাকাতে সংসার ভালোই চলছে তাদের। এতে সব খরচ বাদে প্রতিদিন ৪শ থেকে ৬শ টাকা আয় হচ্ছে তার।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:১২ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:১৫ অপরাহ্ণ
  • ১৬:২১ অপরাহ্ণ
  • ১৮:০৩ অপরাহ্ণ
  • ১৯:১৭ অপরাহ্ণ
  • ৬:২৪ পূর্বাহ্ণ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102